Monday, 17 December 2018

पहला बिद्रोहों (প্রথম বিদ্রোহ)

उस दिन थाईई है नमाज परहेथा था, उदिन किआ थाई थाई लार्की पेटथैतई, उदिन की थायई जब हम अब शारब पी रहाई हैं मैं आपको बहुत धन्यवाद देना चाहता हूं, लेकिन मुझे खेद है कि मुझे खेद है। हमारे पास यूको पुचताई है, आप राख राख हैं, मुझे खेद है कि मुझे खेद है। जहां आप असमान नहीं हो सकते हैं, आपको जाना नहीं है। आईजीजी हैरी हैरी थाई हाय नहीं, आपको भाषा सीखने के लिए स्थानीय भाषा में जाना है।
ہم نے آپ کو یہ زیا ہے نامزد پر راہیت، ہمدے کی تھی، آپ لاٹری پتیاتھائیائی، ہمدے کی تھیآیا جے ہب اباباب پی رہائیائی. اہم اکاکو بہاؤ دھنویداد ڈینا چھاٹا ہون، لکن مجاھ بھیا کی کی مجاھ ہو. ہم آپ کو پوچھتے ہیں، آپ کو یہ کہ آپ کو آپ کی ضرورت ہے، وہ آپ کو. اگر یہ ایرر برقرار رہے تو ہمارے ہیلپ ڈیسک سے رابطہ کریں. اس ویڈیو پر غلط استعمال کی اطلاع دیتے ہوئے ایرر آ گیا ہے. براہ مہربانی دوبارہ کوشش کریں. اگر یہ ایرر برقرار رہے تو ہمارے ہیلپ ڈیسک سے رابطہ کریں. غلط استعمال کی اطلاع دیتے ہوئے ایرر آ گیا ہے. براہ مہربانی دوبارہ کوشش کریں. اگر یہ ایرر برقرار رہے تو ہمارے ہیلپ ڈیسک سے رابطہ کریں. غلط استعمال رپورٹ نہیں کیا جا سکا.

Monday, 1 August 2016

জাপান কাহিনী -- মাছ চাই না বড়শি চাই?

[জাপান কাহিনী] মাছ চাই না বড়শি চাই? প্রডাক্ট চাই নাকি টেকনোলজি চাই?

এটা একটা জনপ্রিয় চাইনিজ ছোট গল্প।
ছেলে মাছ খেতে চাইলো।
মাছ দিলে, সে একদিনই মাছ খাবে। সাময়িকভাবে খুশি হবে। গদ গদ হয়ে বাবার গলায় ধরে বলবে উঅ আই নি (আই লাভ য়ু)। তুমি এত্তো গুলো ভাল কেন?
বাবা তাকে সেই সুযোগ দিলেন না। মাছ না দিয়ে ধরিয়ে দিলেন একটা বড়শি। মাছ ধরা শিখিয়ে দিলেন।
ছেলের প্রথম কয়েকটা দিন কষ্টে কাটলো। কিন্তু মাছ ধরার টেকনিক টা জানার কারণে সে সারা জীবন মাছ খেতে পারলো।
আপনি কি চাইবেন? মাছ? নাকি মাছ ধরার কৌশল?

(১)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের হাতে কী ছিল? আমেরিকানদের লক্ষ লক্ষ বোমার আঘাতে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া ৪৭ টা বিভাগীয় শহর ছিল। যোগাযোগ, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি কোন অবকাঠামোই তো অবশিষ্ট ছিল না। ছিল না তেমন কোন প্রাকৃতিক সম্পদ।
তাহলে? দেশটা গড়ে উঠলো কিভাবে?
তয়োতা, হোন্দা, তোসিবা, সনি, হিতাচি এমন শত শত কোম্পানি কাজ করে দিল নিজেদের লোক দিয়ে। সি,ই, ও থেকে শুরু করে ম্যানেজার, লেবার সবই জাপানি। নিজেদের কর্মদক্ষতা বাড়লো, অভিজ্ঞতা বাড়লো। এই কোম্পানি গুলো কোথাও টেন্ডারে অংশগ্রহণ করলে বা কোন কর্মচারি চাকুরীতে আবেদন করলে কেউ বলতে পারবেনা- যাহ তোদের অভিজ্ঞতা নেই, আগে অভিজ্ঞতা নিয়ে আয়, তারপর প্রজেক্ট/চাকুরী।
বিশ্বব্যাঙ্ক থেকে টাকা ধার নিল। সেই টাকা দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসার অবকাঠামো তৈরি করলো। শিনকানসেন (পৃথিবীর দ্রুততম ট্রেন) টানলো, বড় বড় শহর গুলোকে হাই ওয়ে দিয়ে কানেক্ট করলো। শত শত ফ্লাই ওভার তৈরি হলো, পাহাড়ের ভেতরে সমুদ্রের নীচে টানেল তৈরি হল। মজার ব্যাপারটি হলো - বিদেশ থেকে কোন লেবার আমদানি করলো না। কোম্পানি গুলোর ম্যানেজার বাইরে থেকে আনলো না।
ধরুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যকলাপ ধারণ করার জন্য ক্যামেরা লাগবে। ওনারা তিনজন নয় ছয়জন লোক পাঠাবেন। ক্যামেরা যাচাই বাছাই করার জন্য নয়। ক্যামেরা কিভাবে বানাতে হয় সেই টেকনোলজি শিখে মগজে ভরে আনার জন্য। যেন দেশে এসে শুধু প্রধানমন্ত্রীর জন্যই নয়, সাধারণ জনগণ ও এফোর্ড করতে পারে এমন ক্যামেরা বানাতে পারেন।
জি,ডি,পি হু হু করে বাড়তে লাগলো।
ধারের টাকা ফেরত দিয়ে ২০ বছরের মাথায় আমেরিকাকে, বিশ্বব্যাঙ্ককে উল্টা ঋণী করে ফেললো। শুরু থেকেই জাপান বাইরে থেকে কোন প্রডাক্ট কেনে নি। টেকনোলজি আমদানি করেছে।
মাছ চাইলেই মাছ নয়, মাছ ধরার কৌশলটা শিখিয়ে দাও।
(২)
মালয়েশিয়ার মাহাতির মুহম্মদ জাপানে পড়াশুনা করেছেন। ক্যাপাসিটি বিল্ড করার জাপানিদের এই কৌশলটি শিখে গেলেন। আশি দশকে নব্বই দশকে স্ট্রাটিজিক্যালি দলে দলে মালয় গোস্টি কে বিদেশে পাঠালেন। পড়াশুনার জন্য। স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর জন্য। আমেরিকা, ইউরোপ আর জাপান। বিদেশ থেকে ফেরার সাথে সাথেই সেই বিদ্যা কাজে লাগানোর মত জায়গায় সেট করে দিলেন। প্রোডাক্টিভিটি বাড়ল, আয় বাড়ল। ম্যানেজার শ্রেণীর লোক তৈরি হল। বিদেশ থেকে যা আমদানি করলো তা হল লেবার শ্রেণীর লোক। যোগাযোগ, শিক্ষা, চিকিৎসার অবকাঠামো তৈরি হল। নিজের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ালেন।
এখন আর ছাত্রদের তেমন বিদেশে যেতে হচ্ছে না। বরং বাইরে থেকে মালয়েশিয়াতে বিদেশি ছাত্র আসা শুরু করেছে।
চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে হচ্ছে না। মাহাতির মুহম্মদ নিজের চিকিৎসার জন্য বাইরে না গিয়ে নিজ দেশে হাসপাতাল বানানোর কিচ্ছা সবার জানা।
আর আমরা আমাদের মন্ত্রী, এমপি দের জন্য বিনা ট্যাক্সে কিভাবে গাড়ি আমদানি করতে পারি সেই পলিসি বানিয়ে দিলাম। অথচ আমাদের প্রগতি, র‌্যাংগস ওনাদের দিয়ে কি গাড়ির ১০% জিনিস ও তৈরি করে শুরুটা করলে কেমন হতো? ইতিমধ্যে মেইড ইন বাংলাদেশ একটা ব্র্যান্ড বেরিয়ে আসতো না? কয়েক হাজার লোকের কর্মসংস্থান হতো না? টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট, স্কিল ডেভেলপমেন্ট হতো না?
জাপানি কোম্পানি গুলো কে ইনভেস্ট করার উইন উইন সিচুয়েশন তৈরি করে দিলেন। জাপানিরা ইনভেস্ট করলেন। গাড়ি কোম্পানি, হোম ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানি। মাহাতির এর দল স্ট্রাটিজিটা এমনভাবে করলেন যাতে টেকনোলজিটা ট্রান্সফার হয়। স্কিল ডেভেলপমেন্ট টা হয়। ৫০ বছরে জাপান যা টেকনোলজি ডেভেলপ করেছে তা যেন ৫ বছরে ট্রান্সফার হয়।
তার ফলাফল দেখেন। ৮৫ এর দিকে মালয়েশিয়ান ব্র্যান্ড এর প্রোটন সাগা (মিতসুবিশি জয়েন্ট ভেঞ্চার) গাড়ি বাজারে এলো।
একটা গণতান্ত্রিক সরকার এই তিনটি কাজই ভাল করবে। অন্য কোন কাজে হাত দিতে গেলেই ব্যর্থতা আসবে। দেশের স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। রামপাল নিয়ে এতো চিল্লাচিল্লি কেন?
ক্যামেরা থেকে শুরু করে হোম-ইলেক্ট্রনিক্স এর এমন কোন জাপানি প্রোডাক্ট নেই যা মেইড ইন মালয়েশিয়া লেখা নেই। গত সপ্তাহে ম্যানচেষ্টার থেকে জাপানি ফ্লাইটে করে জাপান ফিরছি। মুসলিম হালাল ফুড অর্ডার দিয়ে রেখেছিলাম। দেখি বাক্সে হালাল একটা সিল দেয়া। লেখা Certified by MHCTA (Malaysian Halal Consultation and Training Agency)।


(৩)
একটা দেশে সরকারের রোল কি হতে পারে। সরকারের কাজ তিনটি - (ক) ট্যাক্স কালেক্ট করবে (খ) পলিসি তৈরি করবে, মনিটর করবে আর (গ) রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখবে।
(৪)
স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহর । বাংলাদেশের একজন নামকরা অর্থনিতিবিদ গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান। জেমস ওয়াট নামের যে বৈজ্ঞানিক স্টিম ইঞ্জিন আবিষ্কার করেছিলেন, তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই একজন ইন্সট্রুমেন্ট মেকার ছিলেন। উনি গ্লাসগো শহরটা ঘুরে দেখালেন। শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা, ওয়াটার সাপ্লাই, পার্ক, টাউন হল ইত্যাদি। গ্লাসগো সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশন টা তৈরি হয়েছে ১৮৭৯ সালে। অন্যান্য অবকাঠামো গুলোও একই সময়ের তৈরি। বৃটিশ সরকার আমাদের দেশ গুলো থেকে ট্যাক্স কালেক্ট করেছেন আর ব্যয় করেছেন জনস্বার্থে। অর্থনিতিবিদ বললেন, আর আমাদের অবস্থা দেখেন- শাহজাহান সাহেব আমাদের অবকাঠামোতে মনোযোগ না দিয়ে বানালেন তাজমহল, নিজের জন্য। জনগণের জন্য নয়। সায়েস্তা খা টাকায় আটমন চাল খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিলেন। যারা কিনল তাদের উপকার হলো, কিন্তু যে চাল তৈরি করলো সেই কৃষকের বারোটা বাজলো। আটমন চাল মানে ১৪ মন ধান। ১৪ মন ধান বিক্রি করে মাত্র এক টাকা আয় হতো। গরিব কৃষক গরিবই রয়ে গেল।


(৫)
১৯৯৬ সালের কথা। ভারতে আইটি সেক্টরে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বেড়েই চলছে। ভারতের সরকার বড় তিনটি কোম্পানির প্রধান দের ডাকলেন। ইনফোসিস, টাটা আর আজিম প্রেমজির উইপ্রো কে। ডেকে বললেন, দেশের উন্নতির জন্য আপনাদের কন্ট্রিবিউশন অনেক। সরকারের কাছে কি আপনাদের কিছু চাওয়ার আছে? তিন কোম্পানিই অবাক হলেন। বললেন, আমাদের একমাস সময় দেন। আমরা একটা লিস্ট দেবো। ওনারা এক সপ্তাহ পরেই একটা উইশ লিস্ট দিলেন। তিন কোম্পানির তিন দাবি- (ক) Stay away from us (খ) Stay away from us (গ) Stay away from us।
আইটি সেক্টরে আমাদের দেশের সরকারের ভূমিকা কি হওয়া উচিত? এ নিয়ে নিশ্চয়ই অনেক গবেষণা হচ্ছে। কোন লিঙ্ক আছে?


জাপানের জাইকা আমাদের অনেক সাহায্য করেন। আমরা খুশি। এই খুশিটাকে স্বল্পমেয়াদী না করে দীর্ঘ মেয়াদী করা চাই। শুনে থাকবেন বছর দুই আগে জাপানি সরকারের সাথে আমাদের ৬০ বিলিয়ন ইয়েন এর একটা চুক্তি সই হয়েছে। বলেন তো দেখি এই টাকা কি সাহায্য? নাকি ধার? ধার নিচ্ছে কে ফেরত দিচ্ছে কে? আমরা যদি ধারই নিয়ে থাকি, তাহলে এই টাকাটা কন্ট্রোল করছে কে? প্ল্যান করছে কে, ইমপ্লিমেন্ট করছে কে? কতটাকার প্রোডাক্ট কিনছি? কত টাকার টেকনোলজি কিনছি? কতটাকার স্কিল ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে? টাকাটা ফেরত দিচ্ছি কবে?
জাপান আমাদের একটা বন্ধু দেশ। প্রোডাক্ট না চেয়ে টেকনোলজি চাইলে ওনারা "না" করবেন না। আমরা মাছ চাচ্ছি নাকি মাছ ধরার টেকনোলজি চাচ্ছি, এই সিদ্ধান্ত দেয়ার দায়িত্ব আমাদের।
সুত্রঃ অশির আহমেড

Wednesday, 13 July 2016

বন্ধুত্ব বিষয়ক কিছু বাণী

আমার বন্ধুরা আমার সাম্রাজ্য। 
-এমিলি ডিকেনসন 

দুর্ভাগ্যবান তারাই যাদের প্রকৃত বন্ধু নেই। 
-অ্যারিস্টটল 

আলোতে একাকী হাটার চেয়ে বন্ধুকে নিয়ে অন্ধকারে হাটা উত্তম। 
-হেলেন কিলার 

সবকিছুর শেষে আমরা আমাদের শত্রুদের বাক্য মনে রাখবো না, কিন্তু বন্ধুর নীরবতা মনে রাখবো। 
-মার্টিন লুথার কিং 

বন্ধুত্ব গড়তে ধীরগতির হও। কিন্তু বন্ধুত্ব হয়ে গেলে প্রতিনিয়তই তার পরিচর্যা করো। 
-সক্রেটিস 

বন্ধুদের সংখ্যার ওপর সত্যিকারের বন্ধুত্ব নির্ভর করে না। বরং এটি বন্ধুদের বিশ্বাস ও পছন্দের ওপর নির্ভর করে। 
-স্যামুয়েল জনস্টন 

সত্যিকারের বন্ধুত্ব গাছের ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠার মতো বাড়ে। 
-জর্জ ওয়াশিংটন 

বন্ধুত্ব হচ্ছে ডানা বিহীন ভালোবাসা। 
-লর্ড বায়রন 

আমার ভালো বন্ধুদের কথা মনে করে আমি যতোটা সুখী হতে পারি, অন্য কোনোভাবে ততোটা সুখী হতে পারি না। 
-উইলিয়াম শেক্সপিয়ার 

একজন সত্যিকারের বন্ধু তোমাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। 
-অস্কার ওয়াইল্ড 

আমাদের রহস্যময়তার পরীক্ষণে প্রাপ্ত সবচেয়ে সৌন্দর্যময় জিনিসগুলো হলো শিল্প, বিজ্ঞান এবং বন্ধুত্ব। 
-অ্যালবার্ট আইনস্টাইন 

আমরা বন্ধুর কাছ থেকে মমতা চাই, সমবেদনা চাই, সাহায্য চাই ও সেই জন্যই বন্ধুকে চাই। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

বন্ধুদের মধ্যে সবকিছুতেই একতা থাকে
-প্লেটো

বন্ধত্ব একমাত্র সিমেন্ট যা সবসময় পৃথিবীকে একত্র রাখতে পারবে
-উইড্রো উইলসন

নিয়তি তোমার আত্মীয় বেছে দেয়, আর তুমি বেছে নাও তোমার বন্ধু
-জ্যাক দেলিল

যদি তুমি মানুষকে বিচার করতে যাও তাহলে ভালবাসার সময় পাবে না
-মাদার তেরেসা

অন্ধকারে একজন বন্ধুর সঙ্গে হাঁটা আলোতে একা হাঁটার চেয়ে ভালো
-হেলেন কেলার

যদি থাকে বন্ধুর মন গাং পাড় হইতে কতক্ষন
-জীবনানন্দ দাশ

ছেলেবেলার বন্ধুরা মেয়েদের ভালোবাসার মতই কোথায় যেন হারিয়ে যায়। ভাবতে অবাক লাগে একেক সময়। মনে হয় যে, বুঝি একরকম ভালোই। তাদের নির্মেদ দেহ আর নির্মেঘ মন নিয়ে কৈশোরের নিবিড় মাধুর্যে মিশিয়ে নিটোল মুক্তোর মতই চিরদিনের স্মৃতির মধ্যে অক্ষয় থেকে যায় তারা - পরে যে কখনও আর ফিরে দেখা দেয় না তাতে জীবনের মতই সুমধুর থাকে, পলে পলে দন্ডে দন্ডে অবক্ষয়ে টাল খায় না, ক্ষয় পায় না।
-শিবরাম চক্রবর্তী

বন্ধু পাওয়া যায় সেই ছেলেবেলায় স্কুল-কলেজেই। প্রাণের বন্ধু। তারপর আর না। আর না? সারা জীবনে আর না? জীবন জুড়ে যারা থাকে তারা কেউ কারো বন্ধু নয়। তারা দু'রকমের। এনিমি আর নন-এনিমি। নন-এনিমিদেরই বন্ধু বলে ধরতে হয়।
-শিবরাম চক্রবর্তী

কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও? তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রাখো। কারণ প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না
-উইলিয়াম শেক্সপিয়র

কখনো কোন বন্ধুকে আঘাত করো না, এমনকি ঠাট্টা করেও না
-সিসেরো

গোলাপ যেমন একটি বিশেষ জাতের ফুল, বন্ধু তেমনি একটি বিশেষ জাতের মানুষ
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দু'টি দেহে একটি আত্মার অবস্থানই হলো বন্ধুত্ব
-এরিস্টটল

প্রকৃতির সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টির নাম বন্ধুত্ব
-এমারসন

বিশ্বস্ত বন্ধু হচ্ছে প্রাণরক্ষাকারী ছায়ার মতো। যে তা খুঁজে পেলো, সে একটি গুপ্তধন পেলো।
-নিটসে

আমলকি পেয়ালের কুঞ্জে, কিছু মৌমাছি এখনো যে গুঞ্জে জানি কোন সুরে মোরে ভরালে গো বন্ধু
-গৌরী প্রসন্ন মজুমদার

আমরা বন্ধুর কাছ থেকে মমতা চাই, সমবেদনা চাই, সাহায্য চাই ও সেই জন্যই বন্ধুকে চাই
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমার ভালো বন্ধুদের কথা মনে করে আমি যতোটা সুখী হতে পারি, অন্য কোনোভাবে ততোটা সুখী হতে পারি না
-উইলিয়াম শেক্সপিয়র

একজন সত্যিকারের বন্ধু তোমাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে
-অস্কার ওয়াইল্ড

আমাদের রহস্যময়তার পরীক্ষণে প্রাপ্ত সবচেয়ে সৌন্দর্যময় জিনিসগুলো হলো শিল্প, বিজ্ঞান এবং বন্ধুত্ব
-অ্যালবার্ট আইনস্টাইন

বন্ধুত্ব গড়তে ধীরগতির হও। কিন্তু বন্ধুত্ব হয়ে গেলে প্রতিনিয়তই তার পরিচর্যা করো।
-সক্রেটিস

বন্ধুদের সংখ্যার ওপর সত্যিকারের বন্ধুত্ব নির্ভর করে না। বরং এটি বন্ধুদের বিশ্বাস ও পছন্দের ওপর নির্ভর করে।
-স্যামুয়েল জনস্টন

সত্যিকারের বন্ধুত্ব গাছের ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠার মতো বাড়ে
-জর্জ ওয়াশিংটন

বন্ধুত্ব হচ্ছে ডানা বিহীন ভালোবাসা
-লর্ড

আমার বন্ধুর জন্যে সবচেয়ে বেশি যা করতে পারি তা হলে শুধু বন্ধু হয়ে থাকা। তাকে দেয়ার মতো কোন সম্পদ আমার নেই। সে যদি জানে যে আমি তাকে ভালবেসেই সুখী, সে আর কোন পুরস্কারই চাইবে না। এক্ষেত্রে বন্ধুত্ব কি স্বর্গীয় নয়?
-হেনরি ডেভিড থিওরো

কোন মানুষই অপ্রয়োজনীয় নয় যতোক্ষন তার একটিও বন্ধু আছে
-রবার্ট লুই স্টিভেন্স

বিশ্বস্ত বন্ধু হচ্ছে প্রাণরাকারী ছায়ার মতো। যে তা খুঁজে পেলো, সে একটি গুপ্তধন পেলো।
-নিটসে

গোপনীয়তা রক্ষা না করে চললে, বন্ধুত্ব টিকে না
-চার্লস হেনরি ওয়েব

আহ্, কী ভালোই না লাগে - পুরনো বন্ধুর হাত
-মেরি এঙলেবাইট

বন্ধুদের মধ্যে সব কিছুতেই একতা থাকে
-প্লেটো

আসবে আবার আশিন-হাওয়া, শিশির-ছেঁচা রাত্রি, থাকবে সবাই - থাকবে না এই মরণ-পথের যাত্রী! আসবে শিশির-রাত্রি! থাকবে পাশে বন্ধু স্বজন, থাকবে রাতে বাহুর বাঁধন, বঁধুর বুকের পরশনে আমার পরশ আনবে মনে- বিষিয়ে ও-বুক উঠবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!
-কাজী নজরুল ইসলাম

তুমি স্বপ্ন বন্ধু উপদেশ গণমানুষ বন্ধুত্ব অনুপ্রেরণা রাত প্রেরণা  বাণী চিত্র
তোমার সখার আসবে যেদিন এমনি কারা-বন্ধ, আমার মতন কেঁদে কেঁদে হয়ত হবে অন্ধ- সখার কারা-বন্ধ! বন্ধু তোমার হানবে হেলা ভাঙবে তোমার সুখের মেলা; দীর্ঘ বেলা কাটবে না আর, বইতে প্রাণের শান- এ ভার মরণ-সনে বুঝ্বে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!
-কাজী নজরুল ইসলাম

একাকিত্ব তুমি অনুভুতি অনুভব বেদনা স্বপ্ন বন্ধু উপদেশ অনুভূতি বন্ধুত্ব অনুপ্রেরণা প্রেরণা  বাণী চিত্র
ফুটবে আবার দোলন চাঁপা চৈতী-রাতের চাঁদনী, আকাশ-ছাওয়া তারায় তারায় বাজবে আমার কাঁদনী- চৈতী-রাতের চাঁদনী। ঋতুর পরে ফিরবে ঋতু, সেদিন-হে মোর সোহাগ-ভীতু! চাইবে কেঁদে নীল নভো গা, আমার মতন চোখ ভরে চায় যে-তারা তায় খুঁজবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে!

-কাজী নজরুল ইসলাম

আরো......

Saturday, 18 June 2016

প্রেম

প্রেম কি? প্রেম মানেই কি শুধু মুখের ভালবাসা? প্রেমে শরীরও আসে। আপনি যতই ওই শরীরটাকে খারাপ চোখে দেখেননা কেন এটিই বাস্তবতা। প্রেম করার সময় আপনার নিজেরও মনে হবে আজ ভালবাসার মানুষটি একটু কাছে পাই, একান্তে কিছু সময় কাটাই। কতজন আছে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারেন যে প্রেমিক/প্রেমিকার সাথে ফোনে কথা বলেছেন অথচ ১বারের জন্যও সেস্কুয়াল আলাপ করেন নি? প্রেম করা, শারিরিক সম্পর্ক করা, সেস্কুয়াল আলাপ করা এগুলোর মধ্য দোষের কিছু না। উভয়ের মধ্য সম্মতি থাকলে দোষের কিছু নেই। উভয়ে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। একজন মানুষ ভালবেসে, বিশ্বাস করেই তার ব্যাক্তিগত তথ্য শেয়ার করে বা শেয়ার করতে দেয় । প্রেম ভাঙ্গার পরে আপনার কোন অধিকার নেই সেই তথ্য প্রকাশ করার ।। প্রকাশ করাটা নির্যাতনের আয়তায় পরে । আমাদের দেশে ছেলেরা প্রেম করে খুব উচু গলায় বলে "ওয়ি মাইয়ারে খাইয়া দিছি" কথাটা আমার বন্ধুদের মুখেও অনেকবার শুনেছি । কথা বলার সময় কেমন একটা আনন্দ ।। ভাই তুমি কথাটা বলে যেমন আনন্দ পেলে মেয়েটা কথাটা তেমন ভাবে নিতে পারবেনা ।। এমনকি বন্ধুরা ও ওয়ি মেয়ের ব্যপারে অশ্লীল ভাবা শুরু করবে। তথ্যটা তখন শুধু মেয়েটার জন্য দুর্নামেরই হবেনা তার জন্য পরবর্তিতে সামাজিক সমস্যা হবে । আমাদের দেশে একটা মেয়ের ভার্জিনিটি নেই কথাটা অভিশাপ বা জঘন্য ধরা হয় (উপযুক্ত শব্দ দিতে পারলাম না ) । একটা ছেলে যদি হাজার মেয়ের সাথে সম্পর্ক করে কোন সমস্যা নেই ।। সেখানে একটা মেয়ের সেক্সুয়ালিটি নিয়ে এত কথা কেন । পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এটাই স্বাভাবিক । এখন কিছু বললেই কেউ বলবে ধর্মের বাইরে কথা বলে ,সমাজের বাইরে কথা বলে ।। যেইসব বিপবিপ পোলারা দেশ প্রেম নিয়ে এত কথা বলে তারাও ভার্জিন মেয়ে খোঁজে। অনেক উদাহরণ দেখেছি , বিয়ের রাতে বউ ভার্জিন না বুঝে সংসার শেষ । এমন হয় । আমাদের মাথায় ছোট থেকেই এই বোঝানো হয় মেয়ে মানে ঘরে থাকবে , পর পুরুষের সাথে কথা বলা যাবেনা, কাপর চোপর ঠিক রাখতে হবে , বারির বাইরে রাত কাটানো মেয়েদের জন্য অসম্ভব সেটা যতই বিশ্বাসের ব্যক্তি বা বন্ধুদের সাথে হক ।
আসলে এমন কথা লিখলে অনেক লেখা যায় । মুল কথা হচ্ছে দেশের অর্ধেক ছেলে অর্ধের মেয়ে ।। মেয়েরা যত দিনে ছেলেদের মত স্বাধীন হবে তত দিনে দেশ উন্নত হতে শিখবে,নাহলে এত দেশ প্রেম দেশ প্রেম করার দরকার নাই (স্বাধীন বলতে- না থাকবে ধর্ষনের ভয়, না থাকবে রাতে চলাচলের ভয় , রাত নিয়ে চিন্তার ভয়-আরো অনেক আছে } আমরা আসলে স্বাধীন দেশে নেই , আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক না।
প্রেম শব্দটা নিয়ে খুব খেলা চলে, প্রেম করার নামে ধর্ষণ চলে ।

(অনেক কিছু লিখতে চাইলাম পারলাম না)

Sunday, 22 May 2016

গাঁজা খাওয়ার ৯ উপকার কী কী?

গাঁজার নেশা হলে, সে নেশা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে গেলে জীবনে বিপদ ডেকে আনতে পারে৷ তবে, গবেষকরা বলছেন পরিমাণমতো গাঁজা ওষুধ হিসেবে সেবন করলে নাকি অনেক উপকার৷ বিজ্ঞানীদের বাতলে দেওয়া এমনই নয়টি উপকার তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদন!
1. মৃগীরোগ কমায়
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ২০১৩ সালেই জানিয়েছেন, মারিজুয়ানা বা গাঁজা একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় নিলে মৃগী বা এই ধরণের কিছু স্নায়ুরোগ থেকে দূরে থাকা যায়৷ বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী জার্নাল অফ ফার্মাকোলজি অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল থেরাপিউটিক্সে ছাপাও হয়েছে তাদের এই গবেষণালব্ধ তত্ত্ব৷
2. গ্লুকোমা দূরে রাখতে সহায়তা করে
এই বিষয়টি তো প্রায় দশ বছর আগে জানা গিয়েছে৷ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল আই ইন্সটিটিউট জানিয়েছিল মারিজুয়ানা গ্লুকোমার ঝুঁকিও কমায়৷ গ্লুকোমা চোখের এমন এক রোগ যা চির অন্ধত্ব ডেকে আনে৷
3. আলৎসহাইমার শত্রু
দ্য জার্নাল অফ আলৎসহাইমার’স ডিজিজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মারিজুয়ানা মস্তিষ্কের দ্রুত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়াও রোধ করে৷ আর এভাবে আলৎসহাইমার ঝুঁকিও কমাতে পারে মারিজুয়ানা৷ তবে মারিজুয়ানা ‘ওষুধ’ হলেই রোগ সারাবে, কারও নিয়ন্ত্রণহীন আসক্তির পণ্য হলে নয়৷
4. ক্যানসারেরও ‘অ্যানসার’!
এই বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র সরকারিভাবেই স্বীকার করেছে৷ ২০১৫ সালে সেই দেশের ক্যানসার বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্যানসার অর্গ-এ জানানো হয়, মারিজুয়ানা অনেক ক্ষেত্রে টিউমারের ঝুঁকি কমিয়ে ক্যানসার প্রতিরোধকেরও ভূমিকা পালন করে৷
5. কেমোথেরাপির ক্ষতি কম
ইউএস এজেন্সি ফর ড্রাগ জানিয়েছে, মারিজুয়ানা ক্যানসার রোগীর রোগযন্ত্রণা অন্যভাবেও কমায়৷ ক্যানসার রোগীকে এক পর্যায়ে কেমোথেরাপি নিতে হয়৷ কেমোথেরাপির অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া৷ মারিজুয়ানা কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত অনেক ক্ষতি লাঘব করে৷
6. স্ট্রোক কম হয়
এটি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ নটিংহ্যামের গবেষকদের উদ্ভাবন৷ তাঁরা গবেষণা করে দেখেছেন, মারিজুয়ানা মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতেও সহায়তা করে৷ ফলে স্ট্রোক-এর ঝুঁকি কমে৷
7. গাঁজা মাল্টিপল সক্লেরোসিসবিরোধী
মানুষের স্নায়ুতন্ত্রে একটি বিশেষ স্তর ক্ষতিগ্রস্থ হলে ‘মাল্টিপল সক্লেরোসিস’ বা এমএস নামের এক ধরণের স্নায়ুরোগ হয়৷ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মারিজুয়ানা সেবন করলে এই রোগের ঝুঁকিও কমে৷
8. ব্যথা নিরোধ
ডায়াবেটিস চরম রূপ নিলে রোগীদের অনেক সময় হাত-পা এবং শরীরের নানা অংশে জ্বালা-যন্ত্রণা হয়৷ ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা বলছেন, ক্যানাবিস সেই যন্ত্রণা লাঘব করতে সক্ষম৷
9. হেপাটাইটিস ‘সি’-র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমায়
হেপাটাইটিস সি-র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কমায় মারিজুয়ানা৷ নির্দিষ্ট মাত্রায় ওষুধের মতো গাঁজা সেবন করিয়ে দেখা গিয়েছে এই রোগে আক্রান্তদের শতকরা ৮৬ ভাগেরই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অনেক কমেছে৷
সুত্র: Webmd Drugfreeworld , Bustle , Perkel

Friday, 15 April 2016

মৃত্যুর পর কী হয়?

মৃত্যুর পর মানুষের অস্তিত্ব থাকে না। স্বকীয়তা, পরিচিতি সবকিছুই শেষ হয়ে যায় মৃত্যুর পর পর। প্রাচীন গ্রীক দার্শনিকরা যখন দেখতে পেলেন জীবন আর মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্যটা শুধু এটুকুই, তারা সিদ্ধান্ত নিলেন, মৃত্যুর পর নিশ্চয়ই দেহ থেকে কিছু চলে যায়, আর সে জিনিসটাই জীব আর জড়ের মধ্যে পার্থক্য, যা মানুষকে স্বকীয়তা দেয়, পরিচিতি দেয়। চীনা “চী”, জাপানি “কী”, পলিনেশিয়ান “মানা” এসব ধারণা এই ব্যাপারটাকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে। এই জিনিসের উপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে অনেক “ism”।
মৃত্যুর পর কী “হতে পারে” আমরা জানি না। তবে বিজ্ঞান জানে মৃত্যুর পর কখন শরীরে কী হয়। আসুন দেখে নিই বিজ্ঞান নিশ্চয়তার সাথে কী বলে-
মৃত্যুর পর অতিবাহিত সময়ের উপর ভিত্তি করে ধাপগুলোকে মোটামুটি  এরকম-
  • মৃত্যুর কয়েক সেকেন্ড পরে মস্তিষ্কের কার্যকলাপ অনেক বেড়ে যায়, আর পরে সব শেষ হয়ে যায়।
  • মৃত্যুর কয়েক সেকেন্ড পরে শরীরের তাপমাত্রা ১.৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট কমে গিয়ে কক্ষ তাপমাত্রার সমান হয়ে যায়।
মৃত্যুর কয়েক মিনিট পরে শরীরের কোষগুলো অক্সিজেনের অভাবে মারা যায় আর তারা ভেঙে যেতে থাকে, আর এভাবে পচন প্রক্রিয়া শুরু হয়। 



  • কয়েক ঘণ্টার মাথায় শরীরের পেশীগুলোতে ক্যালসিয়াম বাড়তে থাকে, আর এর ফলে পেশীগুলোতে চাপ পড়ে এবং শরীর একটা অবস্থায় শক্ত হয়ে যায়। এই অবস্থাকে বলে “Rigor Mortis”, এটা ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
  • এই প্রক্রিয়া শেষ হয় পেশীর শ্রান্ত হওয়া দিয়ে, এই অবস্থায় আপনার শরীরে জমা থাকা বর্জ্য পদার্থ বের হয়ে যায়।
  • আপনার মৃত চামড়া শুকিয়ে যেতে থাকে, যার ফলে আপনার চুল আর নখকে দেখতে বড় মনে হয়।
  • মহাকর্ষের টানে আপনার রক্ত নিচের দিকে চলে যায়, ফলে আপনাকে লাল ছোপ ছোপ দাগসহ ফ্যাকাশে দেখায়।
  • মৃত্যুর কয়েক দিন পরে আপনার শরীরের কিছু জায়গা সবুজ হয়ে যায়, আপনার অঙ্গে থাকা এনজাইমগুলো নিজেদের হজম করা শুরু করে, সাধারণত ব্যাকটেরিয়াদের সাহায্য নিয়ে।
  • আপনার পচতে থাকা শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হয়, কারণ সেখানে Putrescine [NH₂(CH₂)₄NH₂] সৃষ্টি হয়।
  • মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ পরে আপনার শরীরের ৬০% শূককীটেরা হজম করে ফেলে।
  • আপনার রঙ তখন বেগুনী থেকে কালো হতে থাকে। কারণ, ব্যাকটেরিয়ারা আপনার মৃতদেহকে পচাতে থাকে।
  • আপনার শরীর যদি ৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রায় রাখা হয় চার মাসের মাথায় আপনার শরীরের নরম কলা পচে যাবে, আর শেষ পর্যন্ত বাকি থাকবে আপনার কংকাল।
  • সুত্র: google image ,Bigganjatra , Blog