Sunday, 31 May 2015

মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাষ্টমার কেয়ারের নিজস্ব অপারেটর নাম্বার

অনেক সময় এমন হয় যে কাষ্টমার কেয়ারের 121 নাম্বারে ফোন দিলে তাদের সব কয়টি লাইনই ব্যস্ত দেখায় ।

আবার ঘন্টার পর ঘন্টা চেষ্টা করেও প্রায়ই তাদের সাথে কন্টাক করা সম্ভব হয়ে উঠে না ।
তখন চাইলে আপনারা নিচে দেওয়া তাদের বিকল্প নাম্বারগুলো ব্যবহার করতে পারেন ।


Grameenphone => 01711594594
Banglalink => 01911304121 or 01911304111
Robi => 01819400400
Airtel => 01678600786
Citycell => 01199121121
Teletalk => 01550157750 or 01550157760

Thursday, 28 May 2015

দই ও বাসায় মিষ্টি দই তৈরির রেসিপি

দুধ থেকে দই হয়। দুধের মূল উপাদান হলো জল, চর্বি, প্রোটিন, শর্করা, এবং কিছু পরিমান অজৈব লবনের মিশ্রন। আমরা গরু থেকে দুধ পাই এবং দুধ হলো সবচেয়ে আর্দশ খাদ্য। 

দেখা গেছে দুধের সাথে সামান্য পরিমান দই বা টক জাটীয় পর্দাথ মেশালে কিছুক্ষনের মধ্যেই দুধ দই হয়ে যায়। 

এর কারন কি? 
দুধের ননীতে থাকে প্রটিন। এই প্রটিনের জন্যই দুধের রং সাদা হয়। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন দুধের ননীর সাথে ল্যাকটিক এসিডের ব্যাকটিরিয়ার রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলেই দুধ দইয়ে রূপান্তরিত হয়। দুধে যখন পুরানো দই মেশানো হয় তখন ল্যাকটিক এসিডের জীবানু ননীকে জমিয়ে ফেলে। তার ফলেই গোটা দুধটাই দইয়ে রূপান্তরিত হয়ে যায়। 
দই মানুষের পেটের পীড়ার জন্য খুব উপকারী। দইয়ের জীবানু পেটের অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে। 






দই খেতে ইচ্ছা করছে তাদের জন্য বাসায় মিষ্টি দই তৈরির রেসিপি:
বাঙালির রসনা বিলাসে দইয়ের বিশাল ভূমিকাটা ফেলে দেয়ার মতন কোনো বিষয় একেবারেই নয়। নানান রকম রান্নার হোক, কিংবা খাওয়া শেষে একটু মিষ্টিমুখ করতে- দইয়ের জন্য বাড়তি একটা ভালোবাসা বাঙালির সব সময়েই ছিল এবং আছে। আর সেই দই যদি হয় ঘরে পাতা দই, তাহলে তো কথাই নেই।
আসুন, জেনে নেয়া যাক রেসিপিটি।
উপকরণ:
দুধ ১ লিটার,
চিনি ২০০ গ্রাম,
ফুডকালার সামান্য (ইচ্ছা হলে),
দইয়ের বীজ (পুরাতন দই)- ২০০ গ্রাম।
প্রণালী :
-দুধ মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে হবে। ১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ৭৫০ মিলিলিটার হলে দই ভালো হয়।
-মিষ্টি দইয়ের ক্ষেত্রে চিনি দিয়ে দুধ মাঝেমধ্যে নাড়তে হবে।
-দুধ ঘন হলে চুলা থেকে নামিয়েও নাড়তে হবে। কিছুটা ঠান্ডা হলে হলে পাত্রে ঢেলে দইয়ের বীজ মিশিয়ে নেড়ে রাইস কুকারে বসিয়ে দিতে হবে। হলুদ বাতি দিয়ে। অর্থাৎ খাবার গরম রাখে যেটা দিয়ে, সেটা।
-পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পর দই জমে যাবে।
-এবার বের করে ঠান্ডা হওয়ার জন্য ফ্রিজে তুলে রাখুন ঘরে পাতা মিষ্টি দই। শুকনো ফল বা মিষ্টির সাথে পরিবেশন করা যায় ডেজার্ট হিসেবে।

Saturday, 2 May 2015

কম আলো আসলেই কি চোখের ক্ষতির কারণ ?


সম্প্রতি Super Star LED লাইটের একটি বিজ্ঞাপনে বলা হচ্ছে, কম আলো হতে পারে চোখের ক্ষতির একটি কারণ। কিন্তু এটি বহুল প্রচলিত মিথ বা ভুল ধারণা। খুবই মায়াবী এক পিচ্চিকে ব্যবহার করা হয়েছে, যার চোখের সমস্যাতে সবার করুণা জাগতে বাধ্য। বিজ্ঞাপনটা হ্রস্ব দৃষ্টি ত্রুটি এবং চশমা বা লেন্স নিয়ে হলেই যুক্তিযুক্ত হতো। কিন্তু ওর চোখের সমস্যার জন্য বাসায় কম আলোতে পড়াশোনাকে দায়ী করেই সব সমস্যা লেগে গেলো।
...
“কম আলোতে পড়াশোনা করলে চোখের পাওয়ার কমে যাবে” সাবধানবাণীটি আমরা অনেকবার শুনেছি। কিন্তু হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল কী বলে এই বিষয়ে? “যদিও কম আলো ব্যক্তির দৃষ্টিশক্তিকে কমিয়ে দেয় না, কিন্তু এটা খুব দ্রুত চোখকে ক্লান্ত করে দেয়।"
আর HowStuffWorks ওয়েবসাইটে এই মিথকে খুব সুন্দর করে Debunk করা হয়েছে। চলুন দেখি মিথটির খোলস ভাংলে কী যুক্তি পাওয়া যায়।
...
যখন কেউ অল্প আলোবিশিষ্ট কক্ষে ঢুকে, তখন তার চোখ বিভিন্ন উপায়ে ঐ আলোর সাথে মানিয়ে নেয়। প্রথমত, রেটিনার রড এবং কোণ কোষ অতিরিক্ত পরিমাণে আলো সংবেদনশীল রাসায়নিক পদার্থ উৎপাদন করতে শুরু করে। এই পদার্থগুলো আলোকে শনাক্ত করে, একে ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যালে পরিণত করে এবং সেই সিগন্যালকে মস্তিষ্কে পাঠায়। দ্বিতীয়ত, আইরিসের পেশীগুলো শিথিল হয়। ফলে চোখের মণি (pupil) অনেক বড় আকার ধারণ করে। এর ফলে চোখ যত বেশী সম্ভব আলো টেনে নেয়। শেষতক, রেটিনার স্নায়ুকোষগুলো কম আলোতে কাজ করার মতো করে নিজেদের অভিযোজিত করে নেয়।
.
আর যখন আপনি পড়েন, তখন আপনার চোখ ফোকাসিংয়ের মাধ্যমে আপনার রেটিনায় শব্দগুলোর একটা ইমেজ তৈরি করে। ইমেজটাকে রেটিনায় ধরে রাখার জন্য আইরিস এবং যেসব পেশী চোখের লেন্সের আকারকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের সংকুচিত হওয়ার প্রয়োজন পড়ে।
তাই যখন আপনি কম আলোতে পড়েন, আপনার দর্শনপেশীগুলো মিশ্র সিগন্যাল পায়। অর্থাৎ সবচেয়ে বেশী পরিমাণ আলো টেনে নেওয়ার জন্য তারা শিথিল হয়, আবার একই সময়ে ফোকাসড ইমেজকে ধরে রাখার জন্য সংকুচিত হয়।
.
যে উৎস থেকে আপনি পড়ছেন, সেটার উপর যদি কম আলো পড়ে, তাহলে পৃষ্ঠার সাথে শব্দের তারতম্য খুব একটা বুঝা যায় না। ফলে ফোকাস করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে করে আপনার চোখ দৃশ্যমান জিনিসের মধ্যে ‘সহজে’ পার্থক্য গড়তে পারে না। অতিরিক্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে তাকে পৃষ্ঠা থেকে শব্দ আলাদা করতে হয়। ফলে চোখের পেশীতে টান পড়ে।
.
আপনার চোখ যদি অনেকদিন ধরে অতিরিক্ত পরিশ্রম করে, তাহলে অন্যান্য পেশীর মতো সেও ক্লান্ত হয়ে পড়বে। চোখের পেশীতে টান এবং ক্লান্তি বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গ তৈরি করবে। যেমন – অক্ষিগোলকে ব্যথা বা চুলকানি, মাথা এবং ঘাড় ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি। আবার কোনো বস্তুকে ফোকাস করার সময় আপনি পলক না ফেলে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকেন বলে চোখে শুষ্কতাও অনুভব করতে পারেন। কিন্তু এসব উপসর্গের কোনটাই চোখের ক্ষতি করে না। এরা নিজে নিজেই সেরে যায়। কিন্তু যদি চোখের অতিরিক্ত পরিশ্রম ছেড়ে দেওয়ার পরও এরা না যায়, তাহলে ডাক্তার দেখাতে হবে। কারণ আপনার হয়তো ক্ষীণদৃষ্টির (nearsightedness/myopia) সমস্যা আছে!
আর এখানেই মূল কাহিনী।
অনেকে অল্প আলোতে পড়ে পড়ে উপরের উপসর্গগুলো তৈরি করেন এবং নিজের ক্ষীণদৃষ্টির সমস্যা সম্পর্কে অবগত থাকেন না। পরে যখন ক্ষীণদৃষ্টি আবিষ্কার করেন, তখন দুটো ব্যাপার মিলিয়ে ভেবে বসেন যে, অল্প আলোতে পড়ার জন্যেই এমনটি ঘটেছে।
...
কিন্তু এখন যেহেতু আপনি জানলেন আসল ঘটনা, আশা করি আর কখনো আলো বেচারাকে দোষ দেবেন না।
.
See More & here too