Thursday, 28 May 2015

দই ও বাসায় মিষ্টি দই তৈরির রেসিপি

দুধ থেকে দই হয়। দুধের মূল উপাদান হলো জল, চর্বি, প্রোটিন, শর্করা, এবং কিছু পরিমান অজৈব লবনের মিশ্রন। আমরা গরু থেকে দুধ পাই এবং দুধ হলো সবচেয়ে আর্দশ খাদ্য। 

দেখা গেছে দুধের সাথে সামান্য পরিমান দই বা টক জাটীয় পর্দাথ মেশালে কিছুক্ষনের মধ্যেই দুধ দই হয়ে যায়। 

এর কারন কি? 
দুধের ননীতে থাকে প্রটিন। এই প্রটিনের জন্যই দুধের রং সাদা হয়। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন দুধের ননীর সাথে ল্যাকটিক এসিডের ব্যাকটিরিয়ার রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলেই দুধ দইয়ে রূপান্তরিত হয়। দুধে যখন পুরানো দই মেশানো হয় তখন ল্যাকটিক এসিডের জীবানু ননীকে জমিয়ে ফেলে। তার ফলেই গোটা দুধটাই দইয়ে রূপান্তরিত হয়ে যায়। 
দই মানুষের পেটের পীড়ার জন্য খুব উপকারী। দইয়ের জীবানু পেটের অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে। 






দই খেতে ইচ্ছা করছে তাদের জন্য বাসায় মিষ্টি দই তৈরির রেসিপি:
বাঙালির রসনা বিলাসে দইয়ের বিশাল ভূমিকাটা ফেলে দেয়ার মতন কোনো বিষয় একেবারেই নয়। নানান রকম রান্নার হোক, কিংবা খাওয়া শেষে একটু মিষ্টিমুখ করতে- দইয়ের জন্য বাড়তি একটা ভালোবাসা বাঙালির সব সময়েই ছিল এবং আছে। আর সেই দই যদি হয় ঘরে পাতা দই, তাহলে তো কথাই নেই।
আসুন, জেনে নেয়া যাক রেসিপিটি।
উপকরণ:
দুধ ১ লিটার,
চিনি ২০০ গ্রাম,
ফুডকালার সামান্য (ইচ্ছা হলে),
দইয়ের বীজ (পুরাতন দই)- ২০০ গ্রাম।
প্রণালী :
-দুধ মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে হবে। ১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ৭৫০ মিলিলিটার হলে দই ভালো হয়।
-মিষ্টি দইয়ের ক্ষেত্রে চিনি দিয়ে দুধ মাঝেমধ্যে নাড়তে হবে।
-দুধ ঘন হলে চুলা থেকে নামিয়েও নাড়তে হবে। কিছুটা ঠান্ডা হলে হলে পাত্রে ঢেলে দইয়ের বীজ মিশিয়ে নেড়ে রাইস কুকারে বসিয়ে দিতে হবে। হলুদ বাতি দিয়ে। অর্থাৎ খাবার গরম রাখে যেটা দিয়ে, সেটা।
-পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পর দই জমে যাবে।
-এবার বের করে ঠান্ডা হওয়ার জন্য ফ্রিজে তুলে রাখুন ঘরে পাতা মিষ্টি দই। শুকনো ফল বা মিষ্টির সাথে পরিবেশন করা যায় ডেজার্ট হিসেবে।

No comments:

Post a Comment