জোহানেসবার্গে অবস্থিত University of the Witwatersrand এর প্রফেসর Lee Berger তার জীবনে আজ পর্যন্ত অনেক প্রয়োজনীর জিনিষ আবিস্কার করেছেন। কিন্তু তিনি এবার অনুধাবন করেছিলেন, তিনি অনেক বড় কিছু আবিস্কার করতে যাচ্ছেন। তবে তিনি এটা জানতেন না যে তিনি যা আবিস্কার করতে যাচ্ছেন, তা মানুষের বিবর্তনের ইতিহাসকে এক নতুন মোড় দেবে এবং আমাদের পরিচয় সম্পর্কে আরো নতুন কিছু প্রশ্ন উপস্থাপন করবে।
কিন্তু বারজার ও তার দল প্রজাতিটির বয়স/উৎপত্তিকাল এখনো নির্ণয় করতে না পারায় তারা এখনো তাদের মতগুলো যথাযথ কিনা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত নন। কারণ প্রথম মৃতদেহ কবর দেয়ার প্রচলন ঘটে আজ থেকে প্রায় ১ লাখ বছর আগে।
অনেকটা মানুষ, কিন্তু পুরোপুরি নয় কেনো?
Homo naledi প্রাচীন এবং আধুনিকের মধ্যবর্তী এক অদ্ভুত বৈচিত্রতা বিশিষ্ট প্রজাতি। বিজ্ঞানীরা তাদের ফসিল পর্যবেক্ষণ করে কিছু বৈশিষ্ট্য বের করেছেন।
১। তাদের মস্তিষ্ক ছিলো একটা কমলালেবুর সমান।
২। তারা অপেক্ষাকৃতভাবে লম্বা, প্রায় ৫ ফুট লম্বা এবং লম্বা পা বিশিষ্ট। তাদের পা অনেকটা আমাদের মতো এবং বিজ্ঞানীরা বলেন, এই প্রজাতি অনেক দীর্ঘ রাস্তা পাড়ি দিতে সক্ষম ছিলো।
৩। তাদের হাত অনেকটা মানুষের মতো কিন্তু আঙ্গুলের হাড়িগুলো বাঁকান। ধারণা করা হয়, তারা কোনো কিছু বেয়ে উঠা এবং বিভিন্ন জিনিষকে যন্ত্রপাতি হিসেবে ব্যবহার করতে জানতো।
৪। তাদের মাথার খুলি আমাদের মাথার তুলনায় অর্ধেকেরও কম ছিলো।
University of Wisconsin-Madison এর একজন বিজ্ঞানী John Hawks বলেন, এই প্রজাতিকে বলতে গেলে আমদের বর্গেরই সবচেয়ে আদিম প্রাণী বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু এরও কিছু অবিশ্বাস্য রকমের গুণাবলি আছে, যা মানুষের সাথে মিলে যায়। যার ফলে আমরা একে আমাদের Homo বর্গের অন্তর্ভুক্ত করতে পারি।
সুত্রঃ সি এন এন এবং Sci-News.com
No comments:
Post a Comment